Header Ads

Header ADS

প্রতি রোজার জন্যই আলাদা নিয়ত করতে হবে

রোজার নিয়ত করা ফরজ। নিয়ত অর্থ সংকল্প। মনে মনে এ সংকল্প করতে হবে যে, আমি আল্লাহর  সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আগামীকালের রোজা রাখছি। মুখে বলা জরুরি নয়। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/১৯৫)
হাদিস শরীফে আছে,  সকল আমল নিয়তের উপর র্নিভরশীল। (বুখারী শরীফ,১/২)
রোজার নিয়ত রাতে করাই উওম। তবে দিনে সূর্য ঢলে যাবার আগে নিয়ত করলেও রোজা হয়ে যাবে। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/১৯৬;বাদায়েউস সানায়ে ২/২২৯)
এবিষয়ে একটি হাদিস শুনলেই তা বুঝা যাবে, সালামা ইবনুল আকওয়া (রা.) বলেন, আশুরার রোজা যখন ফরজ ছিল তখন নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোএের একজন ব্যক্তিকে ঘোষণা করতে বলেন, যে সকাল থেকে কিছু খায়নি সে বাকি দিন রোজা রাখবে। আর যে খেয়েছে সেও বাকি দিন রোজা রাখবে। কারণ আজ আশুরা । (বুখারী শরীফ ২০০৭)অন্য এক বর্ণনায় পাওয়া যায়, আব্দুল কারীম জাযারী বলেন, কিছু লোক সকালে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিল। তখন উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.) বললেন, যে ব্যক্তি খেয়েছে সে বাকি দিন খাওয়া থেকে বিরত থাকবে। আর যে খায়নি সেও বাকি দিন রোজা রাখবে। (মুহল্লা ৪/২৯৩)
উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করবে না, তার রোজা (পূর্নাঙ্গ) হবে না। (আবু দাউদ শরীফ ১/৩৩৩)
প্রতি রোজার জন্য কী আলাদা নিয়ত করতে হবে নাকি রমজানে একবার নিয়ত করলেই হবে-
পুরো রমজানের জন্য একসাথে নিয়ত করা যাবে না। প্রত্যেক দিনের জন্য পৃথক পৃথক নিয়ত করতে হবে। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/১৯৫;বাদায়েউস সানায়ে ২/২২৮)
কারণ প্রতিটি রোজা ভিন্ন ভিন্ন আমল (ইবাদত), আর প্রতিটি আমলের জন্যই নিয়ত করা জরুরি।

1 comment:

Powered by Blogger.